google

Loading

facebook

CHITIKA

মুস্তাফিজকে হারিয়ে দুশ্চিন্তায় রাজশাহী কিংস

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়ে চোটে পড়েছিলেন। পচেফস্ট্রুমে প্রথম টেস্ট খেলেছেন। তার পর চোটের কারণে আর কোনো ম্যাচে নামতে পারেননি। সেই চোটই মুস্তাফিজুর রহমানের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াল। গতবারের মতো বিপিএলের পঞ্চম আসরও মিস করতে যাচ্ছেন কাটার মাস্টার। চোট থেকে সেরে উঠতে মাস খানেকের ধাক্কা।

বিপিএলের শেষের কয়েকটি ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকলেও তাকে ঝুঁকি না নিতে পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী। ফলে বড় ধরণের ক্ষতির মুখে পড়েছে রাজশাহী কিংস। তাকে ঘিরেই পদ্মাপাড়ের দলটি বোলিং আক্রমণ সাজাতে চেয়েছিল। মুস্তাফিজের না থাকাটা নিশ্চয় তাদের দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে।

চোট কাটিয়ে কবে নাগাদ ফিরতে পারবেন জানেন না মুস্তাফিজ। শুধু এটুকু বলেছেন, ‘কবে ফিরতে পারব জানি না। আরো দুই সপ্তাহ পর আমার পুনর্বাসন প্র্রক্রিয়া শুরু হবে। এখনও ফোলা রয়েছে।’

বিসিবি’র চিকিৎসক দেবাশীষ বলছেন, ‘গতকাল (বুধবার) থেকে আমরা ওকে ফিজিওথেরাপি দেওয়া শুরু করেছি। প্রথম দিনে উন্নতি বেশ ভালো। ক্লিনিক্যালি উন্নতি হলেও স্ক্যান রিপোর্ট বলছে এটা গ্রেড ২ ইনজুরি। আমরা অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করব। আগামী দু’দিন শরীরের ওজনটা অল্প পরিমানে বহন করবে। ফিজিওথেরাপি চলবে। সম্পূর্ণ ইনজুরিমুক্ত না হয়ে খেললে এই ইনজুরিতে আবার পড়তে পারে। এ জন্য বিপিএল না খেলতেই পরামর্শ দিচ্ছি।’

বিপিএলের মাঝামাঝি সময়ে হয়তো সুস্থ হয়ে উঠবেন মুস্তাফিজ। কিন্তু দেবাশীষ পুরোপুরি সুস্থ্য না হয়ে খেলতে বারণ করছেন, ‘ওর ইনজুরির আজকে ১৩তম দিন। আরো দুই সপ্তাহ বিশ্রাম নেবে। সেক্ষেত্রে এক মাস এই ইনজুরি থেকে সেরে ওঠার জন্য বেশ ভালো সময়। তবে এই এক মাস কিন্তু ও অনুশীলনের বাইরে। সেক্ষেত্রে বেশ কিছুদিন সময় দিতে হবে রিহ্যাবের জন্য। এখন এটা নির্ভর করবে মোস্তাফিজের ওপর। ও যেহেতু পেস বোলার তাই আমরা চাইব সুস্থ হওয়ার পর ও কিছু রিহ্যাব করুক।’

হেরে যা বললেন সাকিব

হোয়াইটওয়াশ দিয়ে টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্বের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করলেন সাকিব আল হাসান। প্রথম ম্যাচে ২০ রানে হার। ও ম্যাচে মোটামুটি লড়লেও রোববার শেষ ম্যাচে দাঁড়াতেই পারলেন না সাকিবরা। ৮৩ রানের বিরাট হার। এমন হারের পর কি বললেন বাংলাদেশ অধিনায়ক?
সাকিবের মতে, মিলারই সব শেষ করে দেন। তার অমন ব্যাটিংয়েই ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে বাংলাদেশ। ৩৬ বলে ১০১ রান করে অপরাজিত থাকেন ডেভিড মিলার।
ম্যাচ শেষে মিলারের প্রশংসা করে সাকিব বলেন, সব কৃতিত্ব মিলারের। ও যেভাবে ব্যাট করেছে তাতে ম্যাচ থেকে আমরা দ্রুত ছিটকে গেছি। প্রথম দশ ওভারে আমরা ভালোই করেছিলাম। আমরা এবিডির উইকেট নিতে পেরেছিলাম। কিন্তু মিলার যেভাবে ব্যাট করলো তা চিন্তা করা যায় না। এই উইকেটে আমি মিরাজের কাছ থেকে অারও ভালো আশা করেছিলাম।
প্রতিটা হারকে এক একটা শিক্ষা বলে আসছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়কেরা। এদিনও একই কথা বললেন সাকিব। তার কথা, এটা থেকে আমাদের শেখার অনেক কিছু আছে। সামনে আমাদের অনেক পরিশ্রম করতে হবে।

দিশেহারা বাংলাদেশ

দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে কখনো জিততে পারেনি বাংলাদেশ। চলতি সফরেও টেস্ট ও ওয়ানডেতে হোয়াইটওয়াশের পর প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হেরে গেছে টাইগাররা। তবে পচেফস্ট্রুমে আজ শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে খানিকটা হলেও প্রাপ্তি নিয়ে দেশে ফিরতে চেয়েছিল টাইগার দলপতি সাকিব। 
প্রিটোরিয়াসকে আগের বলেই পুল করে ছক্কা মেরে পরের বলে আবারও করলেন পুল কিন্তু এবার আউট। উইকেট পতনের মিছিলে লিটন দাস আউট হলেন ৭ বলে ৯ রান করে। বাংলাদেশের রান ১১.২ ওভারে ৬ উইকেটে ৯৩।
আগের ম্যাচে আউট হয়েছেন ৪৭ রানে। আগেও ফিরেছেন ৪৮, ৪৩, ৪২ রানে। এবারও সম্ভাবনা জাগিয়ে টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ফিফটি হলো না সৌম্য সরকারের। ফিরলেন ৪৪ রানে। বাঁহাতি স্পিনার অ্যারন ফাঙ্গিসোকে স্লগ সুইপে উড়িয়ে মেরেছিলেন মিড উইকেট দিয়ে। একদম সীমানায় দাঁড়িয়ে ক্যাচ নিলেন হেনড্রিক্স। ২৭ বলে ৪৪ রানে ফিরলেন সৌম্য। ৯ ওভারে রান ৫ উইকেটে ৭২।
দিশেহারা বাংলাদেশ। ১১.২ ওভারে ৯৩/৬। 
দুমিনির আগের বলে চার মেরে পরের বলে আউট সাব্বির। ৫ রানে ফিরলেন সাব্বির। ৫.২ ওভরে বাংলাদেশ ৪ উইকেটে ৩৭।
সাকিবকে হারানোর ধাক্কা না সামলে উঠতেই বিদায় মুশফিকুর রহিমের। ফ্রাইলিংকের বলে আউট হলেন ২ রানে। স্কুপ করেছিলেন মুশফিক কিন্তু বলটি তার ব্যাটের মাঝে হালকা লেগে সোজা কিপারের গ্লাভসে। ৪.২ ওভারে বাংলাদেশ ৩ উইকেটে ৩২।
দুমিনির বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে বাংলাদেশ হারাল সাকিবকে। ইমরুলের আউটের পরপরই আরেকটি বড় ধাক্কা। দুমিনিকে বোল্ড করেছিলেন সাকিব। বোল্ড করেই বদলা নিলেন দুমিনি। ২ রানে আউট সাকিব। বালাদেশ ৩.২ ওভারে ২ উইকেটে ২৯।
দুমিনির বল কাভারে ঠেলেই রান নিতে ছুটলেন সৌম্য। শুরুতে দাঁড়িয়ে থেকে পরে সাড়া দিলেন ইমরুল। রান আউটে কাটা পড়লেন ইমরুল কায়েস। ফিরে গেলেন ৬ রানে। বাংলাদেশ ২ ওভারে ১ উইকেটে ২১। নিজেদের রেকর্ড করে জিততে হবে আর ব্যাটিং এ নেমে প্রথম ওভারে ১৬ রান তুলেন দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও ইমরুল কায়েস। 
এরআগে টস হেরে ব্যাটিং এ নেমে হাশিম আমলার দুর্দান্ত ৮৫ রানের পর ডেভিড মিলারের টর্নেডো সেঞ্চুরি। দুইয়ের যোগফলে বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বোচ্চ সংগ্রহের রেকর্ড! ২০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা তুলেছে ৪ উইকেটে ২২৪। ১০ ওভার শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ৩ উইকেটে ৭৮। পরের ৫ ওভারে উঠেছে ৫৬ রান। আর শেষ ৫ ওভারে ৯০ রান!টি-টোয়েন্টি দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়ে মিলার অপরাজিত ৩৬ বলে ১০১ রানে। তবে জীবন পেয়েছেন শূন্য রানে।  

Conduit

Powered by Conduit

adsvert

CHITIKA

clicksor

adsgem