google

Loading

facebook

CHITIKA

Bangladesh T20 Match's

Bangladesh Vs Netherlands

Please Wait Upto ONE (1) Minute For Channel To Load
i am trying to Broadcast Live All Bangladesh Cricket Team Game 

Check the Live Cricket Streaming of Bangladesh vs Ireland 2012 live streams played in Europe between the July 18th To July 25th. BD vs Ire live streaming is broadcasted on Star Cricket live. Bangladesh Tour of Ireland can be watched online on many cricket sites. Cricket Live Streams of Bangladesh vs Ireland, Bangladesh vs Scotland & Bangladesh vs Netherlands are is given below. Watch Bangladesh vs Netherlands live streaming 2012


Bangladesh vs Netherlands T20 Live Cricket Streaming 25 July 2012 at Belfast. BAN vs Netherlands T20 Live Streaming 25-07-2012. Bangladesh vs Netherlands T20 Live Streaming 2012 Watch Live Cricket Match Between Bangladesh vs Netherlands, Watch Bangladesh vs Netherlands Only T20 Live Match 2012 Live Streaming 1st T20 telecast on ESPN Star, Ten Cricket, PTV Sports, Neo Cricket, Ten Sports, Sky Sports and PTV Home. 

Scotland Easy Victors Tigers Slip To Ninth Place in Rankings

Bangladesh suffered their first defeat on the tour of Europe when Scotland scripted a 34-run victory in their first T20 International against the Tigers at the Voorburg Cricket Club in The Hague last night.
Scotland's opening batsman Richie Berrington was the hero of the match as his sparkling hundred brought Mushfiqur Rahim's men down to earth. Bangladesh had clinched the series against Ireland 3-0 to move into the fourth position on the ICC T20 rankings, but the defeat against Scotland pulled them down to the ninth position.
The Tigers, who take on the Netherlands in the second T20 International match at the same venue today, tasted their first defeat on the tour mainly because of their poor batting performance. Chasing a fighting 163-run target, they ended up on 128 with two overs to spare.
The visitors lost wickets at regular intervals after opener Mohammad Ashraful fell victim of a run out for eight runs. Tamim Iqbal looked confident but was dismissed for only 26 runs. And thereon nobody could stand up and salvage pride against the Associate Member country against whom they won all three ODI matches previously. Shakib Al Hasan was the top-scorer for Bangladesh but the left-hander's 28-ball 31 had hardly any impact on the outcome of the match.
Earlier Scotland rode on Berrington's splendid hundred to put up a fighting total of 162 for seven after deciding to bat.
The 25-year old right-handed opener guided the Scottish innings single handedly and played the Bangladeshi spinners brilliantly on way to his first international hundred. Berrington smashed ten fours and five sixes during his 56-ball innings and reached his century in style when he came down against left-arm spinner Shakib and lofted him over long-on for a six to become only the seventh batsman to reach the magical three figures in T20 Internationals.
Berrington along with Calum MacLeod made a confident start before Shakib gave the breakthrough for the visitors removing the latter, who came down the track but failed to connect the ball and wicketkeeper Mushfiqur Rahim made no mistake to complete the stumping.
Abul Hossain was the most expensive Bangladeshi bowler giving away 32 runs in three overs without any success and the spinners, the main strength of the Bangladesh bowling, failed to pose any threat.
Mashrafe Bin Mortaza, the "Narail Express" who was the hero in the last match against Ireland with all-round performance, was the most successful bowler again, picking up two wickets for 22 runs in 4 overs.
SCORES IN BRIEF
SCOTLAND:
162-7 in 20 overs (Berrington 100, MacLeod 19, Coetzer 14, Mommsen 12; Mashrafe 2-22, Razzak 1-33, Shakib 1-37, Riyad 1-20)
BANGLADESH: 128 all out in 18 overs (Tamim 26, Ashraful 8, Shakib , Mushfiqur 9, Riyad 9, Nasir 7, Zia 9, Mashrafe 15, Razzak 1, Sunny 1 not out, Hasan 9, Davey 3-23, Haq 3-27)
Result: Scotland won by 34 runs.
Man-of-the-match: Richie Berrington.

বাংলাদেশ ১২৮ রানের বেশি তুলতে পারেনি

আয়ারল্যান্ডের টি-টোয়েন্টিগুলো টিভির পর্দায় দেখা যায়নি বলে দেশজুড়ে সে কী হাহাকার! ব্যবসায়িক কারণের সঙ্গে হয়তো এই উদ্দেশ্যেও হল্যান্ডের ম্যাচগুলো সরাসরি ইন্টারনেটে দেখার ব্যবস্থা করেছে দেশের বড় একটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। টিভি পর্দার মজা অবশ্যই নেই। তবে যেভাবেই হোক, বাংলাদেশ-স্কটল্যান্ড ম্যাচটা সরাসরি দেখা গেল, এটাই বা কম কী!
তবে প্রথম অভিজ্ঞতাটাই ভালো হলো না। প্রতিপক্ষের একজন ইতিহাস গড়লে কি আর ভালো লাগে! প্রথম স্কটিশ তো বটেই, টেস্ট খেলুড়ে দেশের বাইরের প্রথম কোনো ব্যাটসম্যান হিসেবে টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির দারুণ এক কীর্তি গড়েছেন রিচি বেরিংটন। সেটাও আবার মাত্র ৫৫ বলে! আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেই এটি মাত্র সপ্তম সেঞ্চুরি।
এমনিতে আয়ারল্যান্ডের কাছে খুব একটা পাত্তা পায় না স্কটল্যান্ড। সেই আইরিশদের সদ্য উড়িয়ে দেওয়া বাংলাদেশ স্কটিশদের কাছে একরকম প্রবল প্রতিপক্ষই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বেরিংটন প্রায় একাই স্কটল্যান্ডকে এনে দেন ১৬২ রানের বেশ বড় পুঁজি। ১৮ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে বাংলাদেশ ১২৮ রানের বেশি তুলতে পারেনি। ফল, ৩৪ রানের পরাজয়।
ইন্টারনেটে যা দেখা গেছে, উইকেট তাতে নিখাদ ব্যাটিংবান্ধব বলেই মনে হয়েছে। মাঠের একটা পাশ অস্বাভাবিক রকমের ছোট। এ কারণে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেতে কিছুটা দেরিও হয়েছে দ্য হেগের এই স্পোর্টপার্ক ওয়েস্টভ্লিয়েট মাঠের। ১৬২ রানকে খুব বেশি চাপ না ভেবে স্বাভাবিক খেললেই এই রান তাড়া করা সমস্যা হওয়ার কথা ছিল না। বাংলাদেশের ২৮ রানের উদ্বোধনী জুটিটাও হয়েছিল আশা-জাগানিয়া। কিন্তু ওভারে আটের বেশি রান তাড়া করার ‘তাড়া’টাই ডোবাল বাংলাদেশকে। আশরাফুল রানআউট হতেই উইকেট পতনের মিছিল। সাকিব, তামিম আর মাশরাফি ছাড়া দুই অঙ্ক ছুঁতেই পারেননি কেউ।
২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর এই প্রথম কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি খেলল স্কটল্যান্ড। তবে সেই জড়তা ছিল না তাদের ব্যাটিংয়ে। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনাই হয়েছে, পাওয়ার প্লের ৬ ওভারেই তুলে ফেলে ৪৭ রান। মাশরাফি-আবুল হাসানের প্রথম দুই ওভারে রান আসে ১২। আয়ারল্যান্ডের ধারা মেনে কালও দ্রুত আক্রমণে স্পিন এনেছিলেন মুশফিক।
তবে ঘাবড়ায়নি স্কটিশরা। বিশেষ করে বেরিংটন। আবুল হাসানকে ছয় মেরে প্রথম টি-টোয়েন্টি ফিফটি ছুঁয়ে ফেলেন ২৮ বলে। হাসানের পরের ওভারে টানা তিনটি চার! আরেক পাশ থেকে খুব একটা সহায়তা পাননি, তবে অন্য পাশ থেকে একাই চালিয়ে যান তাণ্ডব। সাকিবের এক ওভারে চার-ছয় মেরে সেঞ্চুরি ছুঁয়ে ফেলেন ৫৫ বলে। শেষ দুই ওভারে ২ উইকেট নিয়ে রানটাকে আরও বেশি হতে দেননি মাশরাফি।
একই মাঠে বাংলাদেশ আজ ও আগামীকাল আরও দুটো ম্যাচ খেলবে স্বাগতিক হল্যান্ডের বিপক্ষে। তবে এর আগে র‌্যাঙ্কিংয়ে চার থেকে একেবারে দশে নেমে যাওয়ার দুঃখও সঙ্গী হবে মুশফিকদের!

২০১৫ সালের মধ্যে ওয়ানডেতে বিশ্বের সেরা অষ্টম দল হওয়ার স্বপ্ন আয়ারল্যান্ডের

২০১৫ সালের মধ্যে ওয়ানডেতে বিশ্বের সেরা অষ্টম দল, ২০২০ সালের মধ্যে টেস্ট স্ট্যাটাস। পূরণ হবে আয়ারল্যান্ডের স্বপ্ন?

ক্রিকেটের অভিজাত পরিবারে প্রায় এক যুগ হতে চলল, তার পরও বাংলাদেশের টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন ওঠে। জিম্বাবুয়েকে নিয়েও ওঠে। তবে দুটির প্রেক্ষাপট আলাদা। জিম্বাবুইয়ান ক্রিকেটের দৈন্যদশার কারণে যতটা না ক্রিকেটীয়, তার চেয়ে বেশি রাজনৈতিক। অবস্থাটা এমন হয়েছে, টেস্ট ক্রিকেটে কোনো খেলোয়াড়ের রেকর্ড নিয়ে আলোচনায় বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পারফরম্যান্সকে বাদ রাখাটা অলিখিত নীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ব্যাপারটা অবশ্যই মন খারাপ করে দেওয়ার মতো। মজার ব্যাপার হলো, বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের পারফরম্যান্স নিয়ে আয়ারল্যান্ডের দুশ্চিন্তা কম নয়! ভবিষ্যতে টেস্ট পরিবারের সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধির প্রশ্ন এলেই যে এই উদাহরণ উঠে আসবে। আর এটা এখন মোটামুটি প্রতিষ্ঠিতই যে টেস্ট পরিবার যদি কোনো দিন ১১ জনের একটা পূর্ণাঙ্গ দলে রূপ পায়, ১১তম দেশটি হবে আয়ারল্যান্ড। কেনিয়ার মতো পথ হারিয়ে ফেললে অবশ্য ভিন্ন কথা।

১৯৯৭ আইসিসি ট্রফির আগ পর্যন্ত শুধু জাতীয় দলের পারফরম্যান্সের হিসাবে কেনিয়া বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়েই ছিল। বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পরও অনেক দিন এই দাবি করার যৌক্তিক কারণ ছিল কেনিয়ানদের। টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ায় তো শুধু জাতীয় দলের পারফরম্যান্সই বিবেচ্য হয় না; সে দেশের ক্রিকেট-সংস্কৃতি, ক্রিকেটের শিকড় কত দূর বিস্তৃত—এমন আরও অনেক বিবেচনাই থাকে। কেনিয়া মার খেয়ে গেছে এখানেই। প্রশাসনিক দুর্বলতায় আইসিসির সহযোগী সদস্যদেশগুলোর মধ্যে সেরার মর্যাদাও হারিয়ে ফেলেছে।

এই স্বীকৃতিটা এখন সন্দেহাতীতভাবে আয়ারল্যান্ডের প্রাপ্য। ২০০৭ ও ২০১১ বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সে বড় দলগুলোর কাছেও আয়ারল্যান্ড একেবারে হেলাফেলার দল নয়। ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের চিন্তাভাবনায় যে পেশাদারির ছাপ, তাতে কেনিয়ার মতো পরিণতির ভয়ও নেই বলেই মনে হচ্ছে। ২০২০ সালের মধ্যে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার যে ঘোষিত লক্ষ্য, সেটিকেও তাই একেবারে পূরণ অসম্ভব বলা যাচ্ছে না। ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের লক্ষ্যগুলো যে খুব স্পষ্ট। সেই লক্ষ্য অর্জনের সময়সীমাও ঠিক করা আছে।

২০১২ সালের আইরিশ ক্রিকেট অ্যানুয়ালের শুরুতে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী ওয়ারেন ডিউট্রমের একটা প্রতিবেদন আছে। তাতে তিনি ২০১৫ সাল নাগাদ মূল যে লক্ষ্যগুলোর কথা বলেছেন, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
 ওয়ানডেতে বিশ্বের অষ্টম সেরা দল হওয়া।
 ঘরোয়া প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট চালু করা।
 খেলোয়াড়ের সংখ্যা ৫০ হাজারে উন্নীত করা।
 ক্রিকেটে আয়ারল্যান্ডের চতুর্থ বড় খেলায় পরিণত করা

(এ লেখাটায় কোনোভাবেই আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশকে মেলাব না প্রতিজ্ঞা ছিল। কিন্তু ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের লক্ষ্যগুলোর কথা লিখতে লিখতে মনে প্রশ্ন জাগছে, কই, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে তো কখনো বলতে শুনিনি, অত সালের মধ্যে আমরা টেস্টের এত নম্বর হতে চাই, ওয়ানডেতে এত নম্বর।)

প্রথম লক্ষ্যটা নির্ধারণের সুনির্দিষ্ট কারণ আছে। সেটি ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের সঙ্গে সম্পর্কিত। ২০১৫ বিশ্বকাপে শুধু আইসিসির পূর্ণ সদস্য ১০টি দলই খেলবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েই গিয়েছিল। তিন মাস তোলপাড়ের পর সেই সিদ্ধান্ত বদলেছে আইসিসি। সহযোগী সদস্য চারটি দলও থাকছে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে। আইসিসির এই ডিগবাজি আয়ারল্যান্ডের কারণেই। ২০০৭ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে সুপার এইট, ২০১১ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারানো—আয়ারল্যান্ডের এই পারফরম্যান্সই আইসিসিকে বাধ্য করেছে। ২০১৯ বিশ্বকাপে র‌্যাঙ্কিংয়ের প্রথম ৮টি দল সরাসরি খেলবে, কোয়ালিফাই করতে হবে বাকি দুটি দলকে—এই সিদ্ধান্তের কারণেই হয়তো বিশ্বের অষ্টম সেরা ওয়ানডে দল হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ। 

২০১৫ বিশ্বকাপে খেলার আশা শেষ হয়ে গেলে আয়ারল্যান্ডের ক্রিকেট বড় একটা বিপর্যয়েই পড়ত। গত দুটি বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সের কারণে ক্রিকেট এখানে একটু ঢেউ তুলেছে। খেলোয়াড়ের সংখ্যা হয়ে গেছে দ্বিগুণ। কিন্তু দ্বিগুণ হয়েও তা মাত্র ৩০ হাজার! বিশ্বকাপের ‘মুলা’ না থাকলে আইরিশ কিশোর-তরুণদের ক্রিকেটে টেনে আনা আরও কঠিন হয়ে যেত।

‘আরও’ শব্দটা লিখেছি, কারণ কাজটা এখনই যথেষ্ট কঠিন। ২০১৫ সালের মধ্যে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের বড় চারটি ঘোষিত লক্ষ্যের মধ্যে চতুর্থটিই আপনাকে কারণটা বলে দেবে। ক্রিকেটকে চতুর্থ বড় খেলায় পরিণত করার লক্ষ্যটাই বলে দিচ্ছে, এখন এটি আইরিশ জনমানসে ৫-৬ নম্বরে আছে। বেলফাস্টে পা রাখার পর মাঠের বাইরে ক্রিকেট-উৎসাহী একজনের সঙ্গেও পরিচিত হওয়ার সৌভাগ্য হয়নি। ট্যাক্সি ড্রাইভার, হোটেলের রিসেপশনিস্ট, পাবে পরিচিত হওয়া তরুণ—যাঁকেই জিজ্ঞেস করেছি, একই উত্তর, ‘নো, ক্রিকেট ইজ নট মাই গেম।’

কারও ‘মাই গেম’ ফুটবল, কারও রাগবি। এই দুটিই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। ক্রিকেটকে আরও কোণঠাসা করতে আরও আছে হকি-গলফ-গ্যালিক ফুটবল নানা খেলা। নেইল ও’ব্রায়েন যেমন বললেন, ‘তরুণ প্রজন্মকে ক্রিকেটে টেনে আনা, মানুষের মনে ক্রিকেট ঘিরে আগ্রহ জাগানোই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’ উপমহাদেশে খেলেছেন, বিশ্বকাপের ওই ম্যাচ ও বিপিএলে খেলার সুবাদে বাংলাদেশে ক্রিকেট নিয়ে উন্মাদনার তো প্রত্যক্ষ সাক্ষী। পার্থক্যটা তাই খুব ভালো বুঝতে পারেন, ‘বাংলাদেশে ক্রিকেট হলো ধর্মের মতো। এখানে ক্রিকেটে আগ্রহীরা সমাজের খুব ক্ষুদ্র অংশ।’
উত্তর আয়ারল্যান্ড যুক্তরাজ্যের অংশ হলেও রাগবির মতো ক্রিকেটটাও উত্তর ও দক্ষিণ আয়ারল্যান্ড মিলেই খেলে। তার পরও দুই আয়ারল্যান্ড মিলিয়ে জনসংখ্যা মাত্র ৫৫ লাখ। তার ওপর আবার এত সব খেলার হাতছানি। ২০১৫ সালের মধ্যে ক্রিকেটারের সংখ্যা ৫০ হাজারে উন্নীত করার লক্ষ্যের কথা বলে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী তাই নিজেই সেটিকে ‘উচ্চাভিলাষী’ বলে ফেলছেন। 

যারা এখন ক্রিকেট খেলছে, তাদের ধরে রাখার কাজটাও তো সহজ নয়। টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার দাবির পক্ষে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের সবচেয়ে বড় যুক্তিও এটাও। আয়ারল্যান্ডের সেরা ক্রিকেটাররা তো টেস্ট খেলার স্বপ্ন পূরণের জন্য ইংল্যান্ডের হয়ে যেতে পারেন। এড জয়েস যেমন হয়েছিলেন, এউইন মরগান যেমন হয়েছেন। 

শেষ পর্যন্ত আয়ারল্যান্ডের টেস্ট-স্বপ্ন পূরণ হবে কি না কে জানে! উত্তরটা পাওয়ার জন্য সাগ্রহ অপেক্ষায় থাকলাম। আইরিশদের স্বপ্ন যে বাংলাদেশের এই স্বপ্ন পূরণের পথের দিনগুলোকে মনে করিয়ে দেয়!

 প্রথম আলো থেকে সংগৃহীত 

Conduit

Powered by Conduit

adsvert

CHITIKA

clicksor

adsgem