google

Loading

facebook

আকরামদের উপর নতুন দায়িত্ব

অতীত থেকে একটি দারুণ শিক্ষা নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। জাতীয় দল নির্বাচনের বাইরে বয়সভিত্তিক দল বাছাই করতে গিয়ে অতীতের নির্বাচকরা একটি দায়সারা ভাব দেখিয়েছেন। নির্বাচকরা যুক্তি দেখিয়েছেন তাদের কাজের পরিধির বাইরে গিয়ে বয়সভিত্তিক দল গড়তে হয়। সেই অভিজ্ঞতার আলোকেই এবার জাতীয় নির্বাচক কমিটির চাকরির চুক্তিতে লিখে দেওয়া হয়েছে জাতীয় দল ছাড়াও বয়সভিত্তিক দল নির্বাচন করতে হবে। আর বোর্ডের এই নয়া শর্ত বেশ ভালোভাবেই মেনে নিয়েছেন প্রধান নির্বাচক আকরাম খান। 'চুক্তিপত্রের শর্তগুলোতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিসিবি সিইও জানতে চেয়েছিলেন আমাদের কোনো শর্ত আছে কি না। সব কিছু দেখার পর মনে হয়েছে বাহুল্য কিছু নেই, যা আমাদের কাজের পরিপন্থী হতে পারে। আমরা জানিয়েছি বোর্ডের শর্তে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।' গতকাল নির্বাচক কমিটির তিন সদস্য বোর্ডের প্রধান নির্বাহী মঞ্জুর আহমেদের সঙ্গে দেখা করার পর বেশ সন্তুষ্ট মনে হয়েছে আকরাম খানকে। তবে একটি ব্যাপারে আকরাম খানের নির্বাচক কমিটি বোর্ডের কাছে প্রস্তাব দিয়েছে। আর সেটি হলো জাতীয় দল এবং বয়সভিত্তিক দলগুলোর বিদেশ সফরে দলের সঙ্গে একজন নির্বাচক সঙ্গে থাকা। চাকরির চুক্তিপত্রে বিদেশ সফরের ব্যাপারটি লিখিত আকারে না থাকলেও প্রধান নির্বাহী আশ্বস্ত করেছেন বোর্ডের কার্যনির্বাহী সভায় এটি ইতিবাচকভাবে আলোচিত হবে। বর্তমানে বিদেশ সফরে নির্বাচকদের নেওয়াটা বাধ্যতামূলক নয়, তার বদলে বোর্ড পরিচালকদের একজন পর্যবেক্ষক হিসেবে দলের সঙ্গে থাকেন। কিন্তু অতীত অভিজ্ঞতা বলে, এই পর্যবেক্ষকের দায়িত্বটি অনেকেই ভালোভাবে পালন করতে পারেননি।

সাকিববিহীন গৌতম গম্ভীরের দল এর আরেকটি জয়

আগের ম্যাচে কোচি টাস্কার্সের বিপক্ষে ১৭ রানে হারের পর সম্ভাবনা জেগেছিল সাকিব আল হাসানের মাঠে নামার। কিন্তু কালও তাকে ইডেনের সাইড বেঞ্চে বসে থাকতে হয়েছে। এদিন সাকিববিহীন গৌতম গম্ভীরের দল ডাকওয়ার্থ/লুইস পদ্ধতিতে জিতেছে ১০ রানে। তবে সাইড বেঞ্চে বসেও হতাশ নন বাংলাদেশ অধিনায়ক। 'দল যা ভালো মনে করছে তা-ই করছে। আমি মোটেও হতাশ নই'_ খেলা চলার সময়ই বলেছেন সাকিব। এ নিয়ে পাঁচ ম্যাচ তিনি নাইট রাইডার্সের সাইড বেঞ্চে বসে কাটালেন। এদিন টস জিতে মহেন্দ্র সিং ধোনির দলের ব্যাটিং ছিল টেস্ট মেজাজের! ৫.৪ ওভারে ১৫/২! নাইট বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সেখান থেকে আর বেরোতে পারেনি চেন্নাই সুপার কিংস। ৪৯/৩ থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন বদ্রিনাথ এবং অ্যালবি মরকেল। দু'জনে মিলে চতুর্থ উইকেটে যোগ করেন ৬৫ রান। তারপরও নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১১৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি চেন্নাই। বদ্রিনাথ ৪১ বলে ৫৪, মরকেল অপরাজিত থাকেন ৩০ রানে। ধারাবাহিক সাফল্য দেখিয়ে আসা ইকবাল আবদুল্লাহ এদিন ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে পেয়েছেন ১ উইকেট। ইউসুফ পাঠান ২৫ এবং আগের ম্যাচে বিশ্রামে থাকা লক্ষ্মিপতি বালাজি ৩৩ রানে পেয়েছেন ১ উইকেট। আগের ম্যাচে ৬৬ রান করেছিলেন বটে কিন্তু দলকে জেতাতে পারেননি। এদিন ৯ রানেই অশ্বিনের বলে বোল্ড হলেন সেই ইয়ন মরগ্যান (৫)। ৩৩ রানে ফিরে যান গম্ভীরও (১৬)। দলকে (৬১/২, ১০ ওভার) যখন ক্যালিস (২১) এবং মনোজ তিওয়ারি টানছেন তখনই বাধ সাধে বৃষ্টি। সংক্ষিপ্ত স্কোর : চেন্নাই সুপার কিংস : ১১৪/৪, ২০ ওভার (বদ্রিনাথ ৫৪, মরকেল ৩০, হাসি ১৫। আবদুল্লাহ ১/১৫, ইউসুফ ১/২৫)। কলকাতা নাইট রাইডার্স : ৬১/২, ১০ ওভার (ক্যালিস ২১, গম্ভীর ১৬, তিওয়ারি ১৫)। ফল : কলকাতা নাইট রাইডার্স ১০ রানে জয়ী (ডি/এল)

adsvert

adsgem

Conduit

Powered by Conduit